জোয়ার ভাটা কি? কিরূপে ইহাদের সৃষ্টি হয়? বা, প্রাকৃতিক নিয়মে সমুদ্রের জল স্ফীত হওয়ার নাম জোয়ার (Flow or High tide) এবং এই স্ফীতজলের পতনকে বলা হয় ভাটা (Ebb or low tide)।

জোয়ার ভাটা কি? কিরূপে ইহাদের সৃষ্টি হয়? বা, প্রাকৃতিক নিয়মে সমুদ্রের জল স্ফীত হওয়ার নাম জোয়ার (Flow or High tide) এবং এই স্ফীতজলের পতনকে বলা হয় ভাটা (
জোয়ার ভাটা কি? কিরূপে ইহাদের সৃষ্টি হয়? বা, প্রাকৃতিক নিয়মে সমুদ্রের জল স্ফীত হওয়ার নাম জোয়ার (Flow or High tide) এবং এই স্ফীতজলের পতনকে বলা হয় ভাটা (Ebb or low tide)।
জোয়ার ভাটা কি? কিরূপে ইহাদের সৃষ্টি হয়? বা, প্রাকৃতিক নিয়মে সমুদ্রের জল স্ফীত হওয়ার নাম জোয়ার (Flow or High tide) এবং এই স্ফীতজলের পতনকে বলা হয় ভাটা (Ebb or low tide)। প্রধানতঃ চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণেই জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হইয়া থাকে। তবে এই জোয়ার-ভাটার মূলে চন্দ্রের আকর্ষণই প্রবল। সৌরজগতের সূর্য এবং গ্রহ ও উপগ্রহগুলি একে অপরকে অনবরত আকর্ষণ করিতেছে। সূর্য বৃহত্তর বলিয়া ইহার আকর্ষণই জোয়ার-ভাটা সংগঠনে প্রধান কারণ হওয়ার কথা। কিন্তু সূর্য বড় হইলেও (চন্দ্র হইতে ২৬০ লক্ষ গুর্ণ ভারী) চন্দ্র পৃথিবীর নিকটে থাকার জন্য পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণ সূর্যের আকর্ষণের প্রায় দ্বিগুণ। আবার 'পৃথিবী আপন মেরুরেখার চারিদিকে ঘুরিতেছে বলিয়া জলরাশির উপর বিকর্ষণ-শক্তির প্রভাবে সমুদ্রের জলরাশি অবিরতই বাহিরের দিকে ছড়াইয়া পড়িতে চাহে। ইহাতে জোয়ার সৃষ্টির সাহায্য হয়ে থাকে। চন্দ্রের আকর্ষণ পৃথিবীর স্থল ও জল উভয়ের উপর পড়ে। তবে স্থলভাগের উপর ইহার আকর্ষণ তত কার্যকরী হয় না। জল তরল পদার্থ বলিয়া জল-ভাগের উপর আকর্ষণই অধিক কার্যকরী হইয়া থাকে। আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের সম্মুখীন হয় সেই অংশেই 'চন্দ্রের আকর্ষণ অ…

About the author

"আমি সেই মেয়ে, যে শব্দে বাঁচে। কলম আমার অস্ত্র, আর কাগজ আমার স্বপ্নের আকাশ। প্রতিটি অনুভব, প্রতিটি চিন্তা আমি সাজিয়ে রাখি অক্ষরের গাঁথুনিতে। কখনো গল্পে, কখনো কবিতায়, আবার কখনো নিঃশব্দের ভেতরে। আমি লিখি, কারণ লেখার মাঝে আমি নিজেকে খুঁজে পাই। …

Post a Comment