Give an account of the equatorial region. নিরক্ষীয় অঞ্চলের বিবরণ দাও।

Give an account of the equatorial region. নিরক্ষীয় অঞ্চলের বিবরণ দাও।

Give an account of the equatorial region. নিরক্ষীয় অঞ্চলের বিবরণ দাও।

Give an account of the equatorial region. নিরক্ষীয় অঞ্চলের বিবরণ দাও।

আঞ্চলিক বিবরণ-নিরক্ষীয় জলবায়ুর অঞ্চল মোটামুটি বিষুবরেখার ১০° উত্তর ও দক্ষিণে বিস্তৃত; এই অঞ্চলকে প্রধানতঃ তিন ভাগে ভাগ করা যায়-

(১) দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অববাহিকা অঞ্চল,

(২) আফ্রিকার কঙ্গো অববাহিকা অঞ্চল এবং

(৩) পূর্ব-ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চল।

তন্মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকায় এই জলবায়ুর প্রাধান্য বলিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলকে 'আমাজন আদর্শের জলবায়ু'-ও বলে।

আপনি চাইলে এগুলো পড়তে পারেন
Give an account of the equatorial region. নিরক্ষীয় অঞ্চলের বিবরণ দাও।

জলবায়ু: বিষুবরেখার উপরে সূর্যকিরণ লম্বভাবে পড়ে, সুতরাং বিষুবরেখার সন্নিহিত স্থানসমূহ অত্যন্ত উত্তপ্ত। এখানকার উত্তাপ বৎসরের প্রায় সকল সময়েই ৮০° ফাঃ থাকে এবং এখানে দিবারাত্র প্রায় সমান। আবার নিরক্ষীয় শান্তবলয় অঞ্চলে উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব অয়নবায়ু মিলিত হয় এবং অত্যন্ত উত্তপ্ত হইয়া উপরে উঠিয়া যায়, কাজেই এই অঞ্চলে বারোমাসই পরিচলন বৃষ্টি (Convection rain) হইয়া থাকে।

উদ্ভিজ্জ সংস্থান: এই অঞ্চল সারাবৎসরই উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে। এইজন্য এখানে এক নিবিড় বনের সৃষ্টি হইয়াছে। এই বনকে দক্ষিণ আমেরিকায় সেলভাস (Selvas) বলে। দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অববাহিকা অঞ্চলেই এই বন সর্বাপেক্ষা বিস্তৃত। কিন্তু আফ্রিকার কঙ্গো অঞ্চল এবং পূর্ব-ভারতীয় অঞ্চলে মালভূমি ও পার্বত্য ভূমি অধিক থাকার দরুন সেখানকার বন এত নিবিড় নহে। নিরক্ষীয় অঞ্চলের বনের বিশেষত্ব এই যে এখানকার গাছগুলি খুব লম্বা ও সরল। কারণ এখানে সূর্যালোক পাইবার জন্য গাছগুলির মধ্যে খুব প্রতিযোগিতা আরম্ভ হয়। আবার গাছগুলি উপরদিকে ঝাঁকড়া হওয়ার জন্য নীচে সূর্যালোক পড়িতে পারে না। সেইজন্য নীচে অন্য কোন প্রকার গাছ ইত্যাদি জন্মিতে না পারায় নীচের অংশ পরিষ্কার ও তৃণহীন। বৎসরের সারা সময়েই বৃষ্টিপাতের জন্য এখানকার মাটিতে প্রচুর রস থাকে। এইজন্য এখানকার বনের গাছগুলির পাতা কখনও ঝরিয়া যায় না। এইজন্য এখানকার বনের নাম চিরহরিৎ বন (Evergreen forest)।

Give an account of the equatorial region. নিরক্ষীয় অঞ্চলের বিবরণ দাও।

প্রাণীজ সম্পদ: উদ্ভিজ্জ সংস্থানের উপর সাধারণতঃ প্রাণীজ সম্পদ নির্ভর করে। এই প্রায়-তৃণহীন অঞ্চলে প্রধানতঃ সরীসৃপজাতীয় জীবজন্তু বাস করে। যেমন- সাপ, গিরগিটি, বানরজাতীয় প্রাণী ইত্যাদি।

উন্নতি: জলবায়ুর জন্য এই অঞ্চল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। এই নিবিড় বনাঞ্চলে প্রধানতঃ কাঠের ব্যবসায়ই উন্নতির একমাত্র সূত্র। কিন্তু এখানকার কাঠ অত্যন্ত ভারী এবং একজাতীয় কাঠ একজায়গায় প্রচুর পাওয়া যায় না। অধিকন্তু কাঠচালান দেওয়ার সুনাব্য নদীও এখানে নাই। এখানকার যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যন্ত অনুন্নত। সভ্য জগতের লোক এখানে প্রবেশ করিতেও পারে না। কারণ এখানকার আদিম অধিবাসীরা অত্যন্ত অসভ্য ও হিংস্র। সুতরাং এখানে তেমন কোন উন্নতি পরিলক্ষিত হয় না। আবার এখানকার অধিবাসীরা যাযাবর বলিয়া কৃষিরও কোন উন্নতি হয় নাই। তবে সম্প্রতি এখানে স্থায়িভাবে কৃষিকাজের জন্য বেশ চেষ্টা চলিতেছে। আজকাল এই নিরক্ষীয় বন অঞ্চল হইতে অনেক প্রকারের শস্য উৎপাদন হইতেছে। কিন্তু রবার ও ক্যাকাও উৎপাদনে এই অঞ্চল সর্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ। এই দুই ফসলের জন্মস্থানই নিরক্ষীয় অঞ্চল। বর্তমানে পূর্ব-ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ রবার উৎপাদনে সর্বপ্রধান। ধান, ভুট্টা, কলা, তৈলতাল প্রভৃতি ফসলও এখানে প্রচুর পরিমাণে ফলে। বাঁশ, মেহগিনি, আবলুস প্রভৃতি গাছ এখানকার সর্বত্র পাওয়া যায়।

Give an account of the equatorial region. নিরক্ষীয় অঞ্চলের বিবরণ দাও।
আপনি চাইলে এগুলো পড়তে পারেন

About the author

Irisha Tania
"আমি সেই মেয়ে, যে শব্দে বাঁচে। কলম আমার অস্ত্র, আর কাগজ আমার স্বপ্নের আকাশ। প্রতিটি অনুভব, প্রতিটি চিন্তা আমি সাজিয়ে রাখি অক্ষরের গাঁথুনিতে। কখনো গল্পে, কখনো কবিতায়, আবার কখনো নিঃশব্দের ভেতরে। আমি লিখি, কারণ লেখার মাঝে আমি নিজেকে খুঁজে পাই। …

Post a Comment